প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরুর আগে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও জনকল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার দুপুরে ভোটগ্রহণ শুরুর আগে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি পরিবর্তিত ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশের স্বপ্নের কথা তুলে ধরেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, তিনি এমন একটি বাংলাদেশ দেখতে চান যেখানে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ শান্তিতে দুই বেলা খাবারের নিশ্চয়তা পাবে। যুবসমাজের জন্য পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী নিজেদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ পাবেন।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশকে একটি আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করাই তাদের লক্ষ্য। তার বিশ্বাস, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশ এই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সক্ষম হবে।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে সাধারণ মানুষের সমর্থন ও ভালোবাসার কথা স্মরণ করে সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান প্রবীণ এই রাজনীতিক। একই সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মীসহ দেশের সর্বস্তরের মানুষের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতিও আস্থা প্রকাশ করেন বিএনপির এই নেতা।
কথা বলার একপর্যায়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার অনেক স্মৃতি তিনি মিস করবেন। বিশেষ করে এই বিশেষ মুহূর্তে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কথা বারবার মনে পড়ছে। খালেদা জিয়ার সান্নিধ্য ও স্নেহকে নিজের রাজনৈতিক জীবনের পরম পাওয়া হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
মির্জা ফখরুলের রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় বামপন্থী ছাত্ররাজনীতির মধ্য দিয়ে। পরবর্তী সময়ে তিনি মওলানা ভাসানীর ন্যাপের সঙ্গে যুক্ত হন এবং পরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরে বিএনপিতে যোগ দেন।
২০০১ সালে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। পরে তৎকালীন সরকারের মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ সময় বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্ব পালনের পর বর্তমানে তিনি মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
অনলাইন ডেস্ক